+880 1521-203767
(Whatsapp,
Imo,
Viber)
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব এর পর তথ্যপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন তথা জ্ঞান বিজ্ঞানের নানা শাখা এখন পরস্পর পরস্পরকে সহযোগিতা করে তৈরি করছে নতুন নতুন পণ্য, প্রযুক্তি ও সেবা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির স্মরণকালের সর্বোচ্চ বিকাশ আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারিকালেও আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ ও প্রয়োগের ব্যাপ্তি দেখতে পাচ্ছি। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো করোনা ভাইরাসের টিকা আবিষ্কার। সব সময় আমরা জেনেছি, টিকা আবিষ্কারের জন্য ৫-৮ বছর সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এবারই বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা সেটি মাত্র ৯ মাসে সম্পন্ন করতে পেরেছেন। আমাদের মতো দেশে অনেকেরই একটি ভুল ধারণা হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সেরা আবিষ্কার ও উদ্ভাবন গুলো পশ্চিম বা পূর্বের উন্নত দেশগুলোতে হয়। কারণ তাদের রয়েছে অনেক বেশি উন্নত পরীক্ষাগার ও গবেষণার সুযোগ। সেই সঙ্গে আমাদের পাঠ্যপুস্তকেও রয়েছে সেসব দেশের বিজ্ঞানীদের জীবনী। কিন্তু বিজ্ঞান গবেষণায় আমাদেরও যে রয়েছে ঐতিহ্য এবং স্বীকৃতি তা আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে সেভাবে দৃশ্যমান নয়। কাজে বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবক তৈরি করার এখনই শ্রেষ্ঠ সময়। শুধু দরকার তাদের সামনে আমাদের বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীর জীবন ও কর্ম তুলে ধরা। “ওরা ১১ বাংলার বিজ্ঞানী” বইতে মোট ১১ জন বিজ্ঞানীর জীবন ও কর্ম তুলে ধরা হয়েছে। আচার্য স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু, আচার্য স্যার প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, কাজি আজিজুল হক, গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য, মেঘনাদ সাহা, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, অমর গোপাল বসু, জামাল নজরুল ইসলাম, এম এ ওয়াজেদ মিয়া, মাকসুদুল আলম, জাহিদ হাসান এর মত বিজ্ঞানীদের কাজ ও অবদানকেই এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
Tk.
450
378
Tk.
200
170
Tk.
100
75
Tk.
210
157
Tk.
150
123
Tk.
250
188
Tk.
690
561
Tk.
400
300
Tk.
245
215
Tk.
200
110
Tk.
635
381