+880 1521-203767
(Whatsapp,
Imo,
Viber)
দলমত নির্বিশেষে বিতর্কের উর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের স্মৃতিতে মুক্তিযুদ্ধকে জাগিয়ে তোলা এবং মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কাজে সহায়তা করাই হবে সংগঠনটি প্রধান কাজ। সে লক্ষ্যে ওই বছরের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস ভিন্ন আঙ্গিকে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুসন্ধান কমিটি সিদ্ধান্ত নেয়— গণহত্যা স্থান, যুদ্ধস্থানে মোমবাতি জ্বালিয়ে স্বাধীনতা দিবস পালনের। এতে গণহত্যা স্থান, যুদ্ধস্থানও চিহ্নিত হবে, আবার স্থানীয় জনগণকেও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে ফেরানো যাবে। শুরু হয় সংশ্লিষ্ট এলাকায় কমিটি গঠন। ওই কমিটিই স্থানীয় ভাবে অর্থ সংগ্রহ করে শহিদদের তালিকা করে তা জনসমক্ষে টানিয়ে দেয়। এতে জনমনে বিপুল সাড়া লক্ষ্য করা যায়। জনগণের মধ্য থেকে পাওয়া যায় কাজ করার গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, তা হলো— ‘মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য’ শহিদ পরিবার এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। কর্মসূচি সফল করতে স্কুল-কলেজে যাওয়া হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে সাড়া মেলে বিপুল। তারাই ফুল সংগ্রহ করে, তা নিয়ে যায় সংশ্লিষ্ট পরিবারকে কৃতজ্ঞতা জানাতে। ‘ফুল দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ’ কর্মসূচি পালন করার সময় পরিবারগুলো আবেগ তাড়িত হয়ে প্রত্যুত্তর দেয়। সে আবেগে সংক্রমিত হয় শিক্ষার্থীরাও। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সিদ্ধান্ত নেয় প্রতি বছর তারা ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ‘কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর্মসূচি’ পালন করবে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জনগণের এই আবেগকেই উস্কে দিতে চায় সিরাজগঞ্জের গণহত্যা অনুসন্ধান কমিটি।
Tk.
250
188
Tk.
400
300
Tk.
550
413
Tk.
120
90
Tk.
850
638
Tk.
760
707
Tk.
140
84
Tk.
160
120
Tk.
250
188